No products in the cart.

We build brands and engages consumers expanding businesses. We transform relationships between brands and people, by creating simple solutions.

Our Gallery

contacts

Operational: 58/b Nazirghat Main Road Khulna.

Registered: Akanji Bary Aichgati Belphulia Rupsha, Khulna

TIN Number – 274979185357

Trade Licence Number – 80/2021-2022

Category: facebook

ফেসবুক কেন অ্যাড অ্যাকাউন্ট ফ্ল্যাগ করে? অ্যাড অ্যাকাউন্ট পলিসি । সমাধান

ফেসবুক তাদের পলিসি ভঙ্গ করলে অ্যাড অ্যাকাউন্ট ফ্ল্যাগ করে দেয়। পলিসির মধ্যে অনেক কিছুই আছে। কিছু বিষয় আছে বুঝা দূর্বোধ্য। আপনি সরাসরি বুঝতে পারবেন না। আবার অনেক সময় ঠিক কি কারণে আপনার অ্যাকাউন্টটি ফ্ল্যাগ করা হয়েছে সেটা যেমন তারা স্পষ্টভাবে জানাবে না তেমনি ভাবে আপনিও বুঝতে পারবেন না। এমনও আছে আপনার অ্যাড অ্যাকাউন্টটি ১৫ দিন হল ব্যবহার করা হচ্ছে না, হঠাৎ করেই দেখলেন আপনার অ্যাকাউন্ট টি ফ্ল্যাগ করা হয়েছে।

বিভিন্ন কারণে ফেসবুক অ্যাড অ্যাকাউন্ট ফ্ল্যাগ করে দেয়। আমার অভিজ্ঞতা, কেস স্টাডি, ফেসবুকের পলিসি এবং বিভিন্ন আর্টিকেল পড়ে কারণগুলো খুঁজে বের করা হয়েছে। এবার আসুন আমরা জেনে নিই সেইসব ইস্যু গুলো কি কি।

ক) সাধারণ কিছু কারণ (COMMON ISSUES)

  1. সন্দেহজনক পেমেন্ট মেথড বার বার ব্যবহারের চেষ্টা করলে।
  2. ফেসবুক যদি মনে করে তাদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে তা হলে।
  3. অ্যাড অ্যাকাউন্টটি অস্বাভাবিকভাবে ব্যবহার করলে।
  4. নতুন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট তৈরি করেই অ্যাড দিলে।
  5. বিভিন্ন ক্যাম্পপেইন এর জন্য অনেক বেশী অ্যাড অননুমোদিত হলে।
  6. খুব কম সময়ের মধ্যে ২ বা ততোধিক অ্যাড অ্যাকাউন্ট থেকে কোন একটি পেজের অ্যাড দিলে।
  7. একাধিক স্থান থেকে অ্যাড প্রকাশ করা হলে যেখান থেকে সচরাচর অ্যাড অ্যাকাউন্টটি ব্যবহার করা হয়না।
  8. অবৈধভাবে ফেসবুক অ্যাড কুপন ব্যবহারের চেষ্টা করলে।

খ) নিষিদ্ধ কন্টেন্ট (Prohibited content)

  1. সামাজিক, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে পারে এই ধরনের অ্যাড।
  2. অবৈধ পণ্য ও সেবা। যেমন রেপ্লিকা বা নকল পণ্যের অ্যাড দিলে।
  3. বৈষম্যমূলক আচরণ। অ্যাড এর ভেতর বৈষম্যমূলক কোন কথা লেখা থাকলে বা ছবি প্রকাশ করলে। যেমনঃ সুনির্দিষ্টভাবে কোন দল, সম্প্রদায় কে হেয় করলে, কাউকে হয়রানি করলে, সুনির্দিষ্টভাবে কাউকে অ্যাড এর প্রতি সাড়া না দেয়ার জন্য অনুরোধ করা হলে।
  4. সিগারেট এবং বিড়ির অ্যাড।
  5. মাদকদ্রব্য এবং এতদ সংক্রান্ত অ্যাড।
  6. অনিরাপদ সাপ্লিমেন্টস। যেমন দ্রুত বৃদ্ধির জন্য হরমোন। মোটা তাজাকরন ট্যাবলেট।
  7. আগ্নিয় অস্ত্র, গোলা বারুদ, বিস্ফোরক দ্রব্য।
  8. প্রাপ্ত বয়স্কদের প্রোডাক্ট, সার্ভিস অথবা কন্টেন্ট।
  9. তৃতীয় পক্ষের কোন কন্টেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করলে যেখানে কপিরাইট, ট্রেডমার্ক, গোপনীয়তার ইস্যু গুলো থাকে এবং প্রচারের অধিকার খর্ব করে।
  10. দুঃখজনক, হিংসাত্মক এবং বিদ্বেষমূলক অ্যাড।
  11. ধর্ম, বর্ণ, গোত্র, বিশ্বাস, লিঙ্গ, মানসিক এবং শারীরিক স্বাস্থ্যের অবস্থা নিয়ে কাউকে কটাক্ষ করা।
  12. মিথ্যা আশ্বাস দেয়া অথবা ভুয়া কোন অফার প্রদান করা।
  13. রাজনৈতিক এবং সামাজিক কোন ইস্যু বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করা।
  14. এমন কোন ল্যান্ডিং পেজ ব্যবহার করা যা ঠিকমতো কাজ করে না। খুব ধীর গতিতে লোড হয়। নিম্ন মানের পণ্য ও সেবার অফার দেয়। অন্য জায়গায় ফরওয়ার্ড হয়, যা অ্যাড এর সঙ্গে প্রাসঙ্গিক নয়।
  15. মোবাইল ফোন ট্রাকার, স্পাই ক্যামেরা এবং গোপনে নজরদারী করে এমন যন্ত্রপাতির অ্যাড।
  16. ভুল বানান, গ্রামার, উচ্চারণ, সঙ্কেত, নম্বর, অক্ষর ইত্যাদি ব্যবহার করলে।
  17. এমন কোন বাটন ব্যবহার করা যার কোন অস্তিত্বই নেই।
  18. পূর্বের এবং বর্তমান অবস্থা জানিয়ে ব্যাক্তিগত স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কোন ছবি প্রকাশ করে অ্যাড দিলে।
  19. এম, এল, এম মার্কেটিং, এফিলিয়েট মার্কেটিং প্রোগ্রাম এর অ্যাড দিলে।
  20. ভুয়া ডকুমেন্টস প্রদান এর অ্যাড যেমন – ইমিগ্রেশন, সার্টিফিকেট, ভিসা ইত্যাদি।
  21. ফ্ল্যাশ এনিমেশন ও অডিও যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয়।
  22. এমন কোন স্ট্রিমিং ডিভাইস এর অ্যাড যা অননুমোদিত ভাবে অরিজিনাল মিডিয়াতে প্রবেশ করে।
  23. নিষিদ্ধ আর্থিক পণ্য ও সেবার অ্যাড। যেমন – ঘরে বসেই আয় করুন।

সীমিত ব্যবহারযোগ্য কন্টেন্ট (Restricted content)

  1. এ্যালকোহল এর অ্যাড। যা প্রচলিত আইন এবং নিয়ম মেনে দেয়া যাবে।
  2. অনুমতি নিয়ে অনলাইন ডেটিং এর অ্যাড।
  3. অনলাইনে জুয়াখেলা, রিয়েল মানি গেম, অনলাইন লটারি, ক্যাসিনো ইত্যাদির অ্যাড অনুমতি নিয়ে দেয়া যাবে।
  4. সরকার অনুমোদিত আঞ্চলিক লটারির অ্যাড অনুমতি নিয়ে দেয়া যাবে।
  5. অনলাইন ফার্মেসি অ্যাড এর জন্য অনুমোদন লাগবে।
  6. গ্রহনযোগ্য ডায়েটেরী পণ্য, হারবাল সাপ্লিমেন্টস অ্যাড এর জন্য টার্গেটেট আডিয়েন্স এর বয়স নুন্যতম ১৮ বছর হতে হবে।
  7. ক্রেডিট কার্ড এর জন্য আবেদন, আর্থিক সার্ভিসসহ আক্রিডিটেট ইন্সটিটিউশনের কর্মকান্ড এবং নিয়ম কানুন পরিষ্কার ভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
  8. অনুমতি ছাড়া ব্রান্ডেড পণ্যের অ্যাড দেয়া যাবে না। আমরা অনেকেই ব্রান্ডেড পণ্যের ব্যাপারে ভুল বুঝি। এটা জনপ্রিয় কোন ব্রান্ডের এর ব্যাপার না। এই ক্ষেত্রে ব্রান্ডেড প্রোডাক্ট বলতে ৩য় পক্ষের প্রোডাক্ট গুলোর কথা বলা হয়েছে। যে প্রোডাক্ট গুলোতে আপনার মালিকানাসত্ব বা অংশীদারিত্ব নেই।
  9. রাজনৈতিক এবং নির্বাচন সংক্রান্ত অ্যাড দেয়া যাবে। তবে এই ক্ষেত্রে প্রযোজ্য আইন কানুন মেনে চলতে হবে এবং ফেসবুক থেকে অনুমতি নিতে হবে।
  10. ফেসবুক এর অনুমতি ব্যতিত ক্রিপ্টো কারেন্সি এবং এতদ সংক্রান্ত অ্যাড দেয়া যাবে না।

একটা মানুষের মৃত্যু যেমন একটা পরিবারের অনেক ক্ষতি বয়ে নিয়ে আসে তেমনি ভাবে একটা অ্যাড অ্যাকাউন্ট ফ্ল্যাগ হলে আমরা অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হই। চলমান সব অ্যাড এর ডেলিভারি বন্ধ হয়ে যায়। ক্ষতি হয় আমদের ব্যবসার। তাই যে কোন অ্যাড দেবার সময় আমাদেরকে অনেক ভেবে চিন্তে সেটা দেয়া উচিত।

How to get personal Card For Boosting

data:image/gif;base64,R0lGODlhAQABAAAAACH5BAEKAAEALAAAAAABAAEAAAICTAEAOw==

ফেসবুক পার্সোনাল এড প্রমোট,বুস্ট বা অনলাইন শপিং এর ক্ষেত্রে ব্যাবহার যোগ্য

EBL MasterCard Aqua Prepaid Card is EMV Chip card, bundled with a host of benefits. This will ensure more security, convenience and flexibility for making your everyday spending with a single card. One can buy it from any of EBL Branch which one will get instantly on depositing money. You can avail this card from any EBL Branches without having any account. You can also reload money whenever it’s necessary.

Features:

  1. Dual Currency EMV Prepaid Card
  2. Discount facilities at over hundreds of partnered merchants countrywide
  3. Getting faster access to funds globally 24×7
  4. International and local shopping
  5. Banking without any bank account
  6. Round the clock cash withdrawal facility worldwide at large MasterCard ATM network
  7. Absolutely free Cash withdrawal from any EBL ATM
  8. Accessing to shops & restaurants throughout the globe
  9. Paying bills online
  10. Absolutely free reloading
  11. Transaction Alert

Quick Facts:

  1. Acceptance: Throughout the globe
  2. Currency: BDT & USD
  3. Validity: 3 years (Renewable)

Eligibility:

  1. Must be a Bangladeshi national
  2. Minimum 18 years of age
  3. Document Requirements

Application Form

  1. Valid Photo ID/ National ID
  2. Photograph

ফেসবুক এড কি ও কেন ফেইসবুক এড গুরুত্বপূর্ণ?

সাধারনত যেসব বিজ্ঞাপনগুলো ফেসবুকের বিজ্ঞাপন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে প্রদর্শিত হয়, তাই ফেসবুক এড।এসব বিজ্ঞাপনসমূহ ফেসবুকের ফিড, মেসেঞ্জার,ফেসবুক সেল পয়েন্টসহ ফেসবুকের সব ধরনের প্লাটফর্মগুলোতে প্রচার করে বিশেষ কোনো প্রডাক্টের মার্কেটিং করা হয়।এসব বিজ্ঞাপনসমূহ বিভিন্ন ফরমেটে আসে। চিত্র, ভিডিও, স্লাইড শো এবং আরও বিভিন্নভাবে বিজ্ঞাপনগুলো দর্শকদের সামনে তুলে ধরা হয়।এড তৈরী ও প্রচারের ক্ষেত্রে সচেতনভাবে সুনির্দিষ্ট দর্শকদের লক্ষ্য করা হয়।যাতে সহজেই বিজ্ঞাপনদাতা তার টার্গেট কাস্টমার পেয়ে যায়।

ফেসবুকে একটি বিজ্ঞাপন তৈরি করা আপনার ব্যক্তিগত পেইজে প্রোডাক্টসের ব্যাপারে পোস্ট করা থেকে অনেক আলাদা।

ফেসবুক বিজ্ঞাপন কি?

ফেসবুক বিজ্ঞাপনগুলি টাকা ব্যায় করে ফেসবুকে ব্যাবসার প্রচারনা চালাতে ব্যাবহার করা হয়। ফেসবুকের এডের বার্তাগুলি আপনার নিজের মতো করে লিখে আপনি নিজের পণ্যের প্রচারনা চালাতে পারবেন। ফেসবুকে এডের মাধ্যমে আপনি অসংখ্য ভোক্তার কাছে আপনার পন্যের সুবিধাগুলো দারুনভাবে তুলে ধরতে পারবেন। বর্তমানে অধিকাংশ মানুষই অনলাইনের দুনিয়ার সাথে যুক্ত আছে।তাই ফেসবুক ব্যাবহার করে তাদের কাছে পৌছানো আপনার জন্য খুবই সহজ।

যে কেউ তাদের ফেসবুক পেইজে বিনামূল্যে পোস্ট করতে পারে ঠিকই। কিন্তু বিনামূল্যে করা পোষ্টটি কাদের সামনে প্রদর্শিত হবে, তা আপনি জানেন না। আপনি কখনই জানেন না কে আপনার পোস্টগুলো দেখতে যাচ্ছে। তবে পেইজ বা পোস্ট প্রমোট করে আপনি খুবই ইজিলি আপনার টার্গেট পিপলের কাছে আপনার পন্যের তথ্য তুলে ধরতে পারবেন। এসব তথ্যগুলো দেখে তারা পন্যটি ক্রয় করবে কিনা, এই সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

ফেসবুক বিজ্ঞাপন বিভিন্ন ফরম্যাটে প্রচার করা সম্ভব।গ্রাফিক্স ডিজাইনিং, এনিমেশন গ্রাফিক্স,ভিডিওগ্রাফির মাধ্যমে যে যত সুন্দর মতো নিজের বিজ্ঞাপনগুলো ফুটিয়ে তুলতে পারবে, তার প্রোডাক্ট তত বেশি জনপ্রিয় হয়ে ওঠার সম্ভাবনা থাকে।

ফেসবুক এড কেন ব্যাবসার প্রচারনায় গুরুত্বপূর্ণ :

এই শতাব্দীতে ইন্টারনেট যুগের শুরুর পর থেকে সাড়াবিশ্বে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা কেবল বেড়েই চলেছে। যে কোন কাজে এখন ইন্টারনেটের কোনো বিকল্প যেন একদমই নেই। এমনকি ছোট্ট সোনামনিদের হাতে হাতেও বিভিন্ন গ্যাজেট চলে যাওয়ায় তারাও এখন খুব ইজিলি এটি ব্যবহার করতে শিখে গেছে। ফেসবুক বা যে কোন ধরনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সাথে এখন প্রায় সকলেই জড়িত, কোন না কোন সামাজিক মাধ্যমে সবারই একটি একাউন্ট বা আইডি আছে।

সামাজিক মাধ্যমে এত এত মানুষের এত আগ্রহ স্বভাবতই পন্যের মার্কেটারদের চোখ এড়ায়নি। খুব অল্পসময়েই এ মাধ্যমগুলো বিজ্ঞাপনদাতাদের টার্গেটে পরিণত হয়ে যায়।কারণ, অসংখ্য মানুষের কাছে বিজ্ঞাপনের প্রচার ও প্রসারের সম্ভাবনাটা স্যোশাল মিডিয়ায় দ্বারা খুব সহজে সম্ভব।বিংশ শতাব্দীর শুরুভাগ থেকে ডিজিটাল মার্কেটিং এর ধারণা বেড়ে যাওয়ার ফলে সোশ্যাল নেটওয়ার্কগুলোও তাদের প্রসারিত করে যার ফলশ্রুতিতে তারা মাধ্যমগুলো বিজ্ঞাপনের উপযোগী করে গড়ে তোলায় সচেষ্ট হয়।

প্রথমদিকে মার্কেটাররা নিজেদের মত করে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন দিলেও আজকাল এই মাধ্যমগুলোতে মোটাদাগে কিছু ফিচার দেয়া থাকে যা বিজ্ঞাপন দেয়ার জন্য খুবই সহায়ক। এর একটি বড় সুবিধা হল, আপনি আপনার নিজের মত করে বিজ্ঞাপন তৈরি করে এখানে প্রচার করতে পারেন। শুধু তাই না, আপনার টার্গেট গ্রুপ কারা হবে তাও আপনি ঠিক করে দিতে পারবেন। ফলে আপনি যাদের উদ্দেশ্য করে বিজ্ঞাপনটি তৈরি করেছেন তাদের কাছে খুব সহজেই তা পৌঁছে যায়। সামাজিক মাধ্যমগুলোর মধ্যে ফেসবুকই এ ব্যাপারে প্রথম পদক্ষেপ নেয় কারণ বিজ্ঞাপনদাতাদের নিজেদের মত করে বিজ্ঞাপন দেয়ার ফলে সামাজিক মাধ্যমগুলো আবেদন হারাচ্ছিল।

ফেসবুকের বিজ্ঞাপনের ফিচার ও পদ্ধতিগুলো এত অভাবনীয় যে, যে কেউই খুব সহজেই শিখে নিতে পারবে কীভাবে এখানে এড দিতে হয়। আবার, জনপ্রিয়তা বেশি থাকায় এর ব্যবহারকারীর সংখ্যাও বেশি। ফলে আপনি সহজেই বেশি সংখ্যক লোকের কাছে আপনার বার্তা পৌঁছে দিতে পারছেন। এই দুটি বিষয়ই ফেসবুক এডভারটাইজিং এর সুবিধাগুলোকে বেশি শক্তিশালী করেছে এবং এর থেকে সর্বোচ্চটুকু নেয়ার সম্ভাবনাও আপনার হাতেই রয়েছে।

তাই ছোটখাট ব্যবসায় থেকে মাঝারি সাইজের এন্টারপ্রাইজ কিংবা বড় বড় কর্পোরেশন; সবাই এখন ফেসবুকেই বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে। সুতরাং, আপনার ব্যবসায় যত ছোটই হোক না কেন, কিংবা যত বড়ই হোক না কেন, যে কোন প্রকারের বিজনেস থেকেই ফেসবুকের ভিত্তিতে আপনি খুব সহজেই মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি তৈরি করতে পারেন। আরও মজার ব্যাপার হল, এক্ষেত্রে আপনি অল্প বাজেটেই ভালো বিজ্ঞাপন তৈরী করে প্রচার করতে পারছেন।

এডভারটাইজিংএর জন্য ফেসবুককেই কেন বেছে নিবেন

ফেসবুকের একটি অনন্য ব্যাপার হল এখানে আপনার যেই প্রোফাইলটি আছে সেটি ব্যবহার করেই আপনি আপনার পেইজটি খুলতে পারছেন। আর যখন আপনার একটি ফেসবুক পেইজ থাকবে তখনই আপনি বিজ্ঞাপনের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ফেসবুক থেকে এর সর্বোচ্চ সুবিধা গুলো নিতে পারবেন। অর্থাৎ, ফেসবুক পেইজ আপনার বিজ্ঞাপনকে তরান্বিত করে। আপনার ব্যবসায় কিংবা কোন প্রতিষ্ঠান বা যে কোন কিছুকেই আপনি এই পেইজের মাধ্যমে তুলে ধরতে পারেন সবার সামনে।

এই পেইজে আপনি আপনার ব্যাবসার বিষয় সংক্রান্ত যে কোন ধরনের কন্টেন্ট শেয়ার করতে পারেন। ফলে আপনার ব্যাবসার বিষয়ে যাবতীয় তথ্য মানুষ এই পেইজ থেকেই খুব সহজে পেয়ে যাবে। আর এই প্রক্রিয়াতেই আপনার সেবা বা পণ্যের ব্র্যান্ডিং ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাবে। আপনি ব্যাবসা সম্বন্ধে যা প্রচার করতে চাইছেন, তা সম্পর্কে যাবতীয় ধারণা আপনার পেইজ থেকেই লোকে সহজে জানতে পারবে।

ফলে, আপনার ফেইসবুক পেইজটি এক্ষেত্রে মানুষের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র হয়ে দাঁড়াতে পারে। আবার, এই পেইজ থেকেই আপনি ফেসবুকের কিছু বাড়তি অপশন ব্যবহার করে এটিকে একটি ই-কমার্স স্টোরে পরিণত করতে পারেন।

সুতরাং, আপনার প্রতিষ্ঠানকে মানুষের কাছে সবচেয়ে ভালোভাবে তুলে ধরতে ফেসবুক পেইজ একটি অনন্য ভূমিকা রাখতে পারে। এখান থেকে যাবতীয় তথ্য আপনি যেভাবে মানুষকে পৌঁছে দিতে চাচ্ছেন ঠিক সেভাবেই দিতে পারছেন। আপনার পণ্যের প্রচারের জন্য যেসকল ধরনের প্রচেষ্টা বা ভাবনা আপনার নিকট আছে তার সবকিছুই এই পেইজের মাধ্যমে আপনি বাস্তবে রূপ দিতে পারেন, এখান থেকে আপনার ব্যাবসার টার্গেট গ্রুপের সাথে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে ভালো সম্পর্ক গড়তে পারবেন।

ফেসবুক এ্যাড একাউন্ট বারবার ডিজেবল কেন হয়? ও এর সমাধান কী

চলমান সময়ে ফেইসবুক একটি বহুল ব্যবহৃত মাধ্যম।ফেইসবুক দিন দিন ডিজিটাল বিঞ্জাপণের ক্ষেত্রে একটি বিশাল মাধ্যম হয়ে উঠতেছে যার অন্যতম একটি কারণ হচ্ছে ফেইসবুক এর খরচ অন্যান্য মিডিয়ার তুলনায় কম। আপনি খুব সহজেই ফেইসবুক এর মাধ্যমে অতি অল্প সময়ের মধ্যে আপনার পণ্য বা সেবার নাম ছড়িয়ে দিতে পারবেন দেশের প্রায় ৩ কোটির ও বেশি ব্যবহার কারীর মাঝে।

কিন্তু ফেসবুকে এই বিজ্ঞাপন দেওয়ার কাজটি সহজ হলেও কিছু নিয়ম-নীতি মেনে আপনাকে এ্যাড রান করতে হবে যা আপনার জন্য বা একজন সাধারণ ব্যবসায়ী বা উদ্যোক্তার জন্য মেনে চলা কঠিন ও সময়সাপেক্ষ। আবার সময়ের সাথে সাথে প্রতিনিয়তই আপডেট হচ্ছে নিয়ম-নীতি গুলো। আর এই নিয়ম-নীতি না মেনে বিজ্ঞাপন চালালে সাম্প্রতিক যে সমস্যা গুলি দেখা দিচ্ছে তা হলো:

১. আপনার এ্যাড একাউন্টি হঠ্যাৎ করেই ডিজ্যাবল হয়ে যাওয়া অথবা এ্যাডভার্টাইজিং রেস্ট্রিকডেট হয়ে যাওয়া।

২. আপনার এ্যাড পোস্টি রান হতে কিছু সময় নিতে পারে।

৩. পেমেন্ট সংক্রান্ত নানা রকমের সমস্যা হওয়া

৪. এ্যাড পোস্ট থেকে কাঙ্ক্ষিত বা আশানুরূপ ফলাফল না পাওয়া

৫. একই ধরনের ভূল করার কারনে এ্যাড ব্যান হওয়া

৬. প্রতিষ্ঠানের ডোমেইন ব্যান হওয়া অথবা ইউআরএল ব্যান হওয়া।

বর্তমান সময়ে ফেসবুকের ব্যবসা বা বিজ্ঞাপনের মাত্রা অত্যধিক বৃদ্ধি পেয়েছে যার ফলে তারা বিভিন্ন ধরনের আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স (এআই) বসিয়েছে। যেই গুলির মাধ্যমে তারা বিভিন্ন যাচাই প্রক্রিয়া সম্পাদন করে থাকেন । যার ফলশ্রুতিতে অতি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কারণে অনেক ধরনের এ্যাড বা কনটেন্ট প্রতিনিয়ত রিজেক্ট হচ্ছে । যার দরুন ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। ফেসবুক এড একাউন্ট বারবার ডিজেবল হয়ে যাওয়ার কিছু কারণ জানা গিয়েছে-

ক. পেমেন্ট সঠিকভাবে না করা: ফেসবুক বিজ্ঞাপনের জন্য ভ্যাট প্রদান বাংলাদেশে বাধ্যতামূলক। বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা এই ভ্যাট ফাঁকি দিতে অনুমোদন বিহীন আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়ে বা অন্য দেশের ক্রেডিট/ডেবিট কার্ড ব্যবহার করেন। আর ঠিক এজন্যই তাদের এ্যাড একাউন্টি ডিজেবল হয়ে যায়। আর এই সমস্যার সমাধান হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদিত ব্যাংকের কার্ড ব্যবহার করে পেমেন্ট প্রদান করা।

খ.আমরা অনেক সময় আমাদের অনেক ব্যবসায়িক প্রয়োজেনে একাধিক ফেসবুক পেইজ ক্রিয়েট করে থাকি এবং একটি মাত্র এ্যাড একাউন্ট থেকেই ওই সমস্ত পেইজের বিজ্ঞাপন চালানো শুরু করি। তাই একের অধিক পেইজের বিজ্ঞাপনের জন্য আলাদা আলাদা একাউন্ট ওপেন করে নেওয়া উচিত নয়তো একাউন্টি ডিজেবল হয়ে যাবে ।

গ. ফেসবুকে এ্যাড প্লেসমেন্ট এর অনেক গুলি ক্যাটাগরি রয়েছে। যার মধ্যে ৩টি ক্যাটাগরি হচ্ছে স্পেশাল যেই ক্যাটাগরি গুলিকে স্পেশাল ক্যাটাগরি হিসেবে এ্যাড করা হয়েছে। আর আপনার পণ্য বা সেবার নামের বিঞ্জাপনটি যদি এই ৩ তিন ক্যাটাগরির মধ্যে যেকোন একটি হয় তবে তার জন্য আপনাকে অবশ্যই স্পেশাল এ্যাড ক্যাটাগরি সিলেক্ট করে এ্যাড প্লেস করতে হবে।

এই তিনটি ক্যটাগরি হলোঃ

১) হাউজিং: অর্থ্যাৎ প্রপার্টি বিজনেস। আপনি যদি প্রপার্টি নিয়ে কোন এ্যাডদিতে চান তবে আপানার জন্য এই ক্যাটাগরিটি প্রযোজ্য হবে।

২) এ্যড বা বিঞ্জাপনটি বীমা বা ঋণ নিয়ে হলে এই ক্যাটাগরিতে পড়বে।

৩) জব প্লেসমেন্ট : আপনি যদি কোন জবের জন্য কর্মী নিয়োগ দিতে চান তবে এটিও স্পেশাল ক্যাটাগরির মধ্যে গণ্য হবে।

.ফেইসবুক বিজ্ঞাপনে কপিরাইট বিষয়টি এখন অনেক গুরুত্বের সাথে দেখা হয়। এইজন্য কোন এ্যাড পোস্টে কপি করা কোনো প্রকার ইমেজ ও লেখা ব্যবহার করা যাবেনা। আর ইমেজের ব্যাবহার করার ক্ষেত্রে সঠিক সাইজ ও অল্প লেখা ব্যবহার করতে হবে। পোস্টে কোনো ওয়েব ইউআরএল শর্টার অ লুকএলাইক স্প্যামিং লিংক ব্যবহার করা যাবেনা। পোস্টে কোন প্রকার টাকার এমাউন্টের গ্যারান্টেড অফার বা লটারী অথবা জুয়ার মতো কোন কনটেন্ট ব্যবহার করা যাবে না।

ঙ. ফেইক প্রোফাইল ব্যবহার করে এ্যাড দেওয়া:

আমাদের মধ্যে বেশির ভাগ লোকই সঠিক তথ্য দিয়ে প্রোফাইল ক্রিয়েট করে না। বিভিন্ন কারণে বিভিন্ন ফেইক তথ্য দিয়ে প্রোফাইল ক্রিয়েট করে থাকে। বিশেষ করে ফেসবুকের নাম এবং জন্মতারিখের সাথে আইডি কার্ডের নাম এবং জন্মতারিখের কোনো প্রকার মিল তারা রাখে না! আবার অনেকে দেখবেন একই ব্যক্তির নাম, ছবি ও তথ্য ব্যবহার করে একাধিক আইডি খুলেন। যে সকল কারণে আইডিগুলো রেস্ট্রিকটেড বা ডিজেবল হলে রিভিউ দেওয়ার পরও আইডি ফিরে পাচ্ছেন না। সুতরাং সঠিক তথ্য দিয়ে একটি প্রোফাইল আইডি ওপেন করতে হবে।

চ) ফেসবুকের বিজ্ঞাপন নীতি ভায়োলেট হলেঃ

আপনি যদি আপনার ফেসবুক বিজ্ঞাপন ম্যানেজার অ্যাকাউন্ট খোলার আগে ফেসবুক বিজ্ঞাপন নীতিগুলি না পড়ে থাকেন তবে ভবিষ্যতে ভূল থেকে বাঁচতে আমরা আপনাকে ফেসবুকের বিজ্ঞাপন নীতিগুলি পড়ে নেয়ার পরামর্শ দিই। ফেসবুকের বিজ্ঞাপননীতি ভায়োলেট করার কারনেই অনেকের ফেসবুক এড একাউন্ট ডিজেবল হয়ে যাচ্ছে। তাই এড প্রচারের আগে এই নীতিমালাগুলো খেয়াল রাখুন।

ছ)ফেসবুক কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড লঙ্ঘনঃ

ফেসবুক কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ডের ক্ষেত্রেও খুবই সতর্ক থাকতে হয়।ফেসবুকের কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ডে বলা আছে কি ধরনের বিজ্ঞাপন সেখানে অনুমোদিত ও কোনগুলো নয়। আপনার ফেসবুক বিজ্ঞাপন অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় করার আরেকটি কারণ হতে পারে আপনার ব্যবসায়িক পেইজ, বিজ্ঞাপন বা অন্য কোন ধরনের সামগ্রী যা আপনি কখনও পোস্ট করেছেন এবং সেটা হয়তো কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড ভায়োলেট করেছে।তাই সতর্ক থাকুন বিষয়টিতে।

ফেসবুক এড একাউন্ট ডিজেবল হয়ে যাওয়ার এই কারণগুলো সলভ করার মাধ্যমেই নিজের এড একাউন্টকে সুরক্ষা দিতে হবে।

ফেসবুকের মাধ্যমে যেভাবে অনলাইন ব্যাবসা পরিচালনা ও প্রচার করবেন

ফেসবুকের মাধ্যমে নিজের একটি ব্যবসা শুরু করার কথা ভাবছেন? এবং ফেসবুকেই আপনার ব্যবসার প্রচার প্রচারনার কাজ করতে চাচ্ছেন? তাহলে ফেসবুক মাধ্যমে ব্যাবসা পরিচালনা সম্পর্কিত এই কন্টেন্টটি আপনার জন্যই ! এখানে আপনি পাবেন ফেসবুকে আপনার বিজনেস পরিচালনা করার কৌশল ও এ বিষয়ক সকল পরামর্শ। ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে এবং পণ্যের বিক্রয় বাড়ানোর জন্য ফেসবুকে ব্যবসা করার নিয়ম গুলি জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কিভাবে ফেসবুক ব্যাবহার করে সফলভাবে ব্যাবসা পরিচালনা ও প্রচারনা করবেন?

আপনার ফেইসবুক একাউন্ট বা পেইজের প্রচারের মাধ্যমে আপনি যত বেশি সংখ্যক লোকের কাছে পৌঁছাতে পারবেন, ঠিক তত বেশি পণ্য আপনি সেল করতে পারবেন। তাই, কীভাবে বিনামূল্যে ফেসবুকে ব্যবসার প্রচারনার করবেন, আসুন সেই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো জেনে নিই।

১।তথ্যপূর্ন একটি ফেইসবুক পেইজ ওপেন করুনঃ

প্রথমে আপনাকে বিজনেস পরিচালনার জন্য একটি পেজ খুলতে হবে।খেয়াল রাখবেন,আপনার ফেসবুক বিজনেস পেইজটি যেন ব্যাবসার যাবতীয় তথ্য দিয়ে একদম পূর্ন অবস্থায় থাকে।ব্যাবসার

ফেইসবুক পেইজে আপনার ব্যবসা সম্পর্কৃত প্রয়োজনীয় সবগুলো তথ্য দিতে একদমই দ্বিধা করবেন না।সকল তথ্য ইনক্লুড করা থাকলে, গ্রাহকরা গুগলে স্থানীয় বিজনেস সার্চ দিয়ে বা স্থানীয় ব্র্যান্ডের কোনো প্রতিষ্ঠানের সম্পর্কে জানতে ফেসবুকে সার্চ করে, সেক্ষেত্রে আপনার পেইজটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সার্চ তালিকায় টপলিস্টে থাকবে।আপনার থেকে প্রোডাক্ট ক্রয় কিংবা সেবা নেওয়ার জন্য ক্রেতাগন আপনার পেইজে যোগাযোগের জন্য কোন কোন মাধ্যম উল্লেখ আছে তার সন্ধান করবে।মোবাইল নম্বর, ইমেল বা ওয়েবসাইটের মতো বিভিন্ন ধরণের যোগাযোগের মাধ্যম উল্লেখ রাখুন যাতে তারা তাদের কাছে সহজ বা ইজি মনে হওয়া মাধ্যমটি ব্যবহার করে জটিলতা ছাড়াই আপনার সাথে কন্টাক্ট করতে পারে।আরেকটি।জরুরী কথা হলো, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কাস্টমার মেসেজের উত্তর(রিপ্লাই) দেওয়ার ট্রাই করুন।

২।অাপনার বিজনেস পেইজে অফিসিয়াল চমৎকার একটি ছবি ব্যবহার করুনঃ

ফেইসবুক পেজের প্রচারনা চালানোর পর বিভিন্ন লিংক থেকে অনেক ফেসবুক ইউজারগন আগ্রহের সাথে আপনার বিজনেস পেইজটি ভিজিট করতে বা দেখতে আসে,তাই তার পূর্বেই আপনাকে প্রস্তুত থাকতে হবে একটি অফিসিয়াল কভার ফটো নিয়ে! যেন ভিউয়াররা প্রোফাইল পিক দেখেই আরো জানতে আগ্রহী হয়ে ওঠে।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু কারণে এই কভার ফটো ফেসবুক বিজনেস পেইজ এর খুব ইউনিক বৈশিষ্ট্য। উদাহরণস্বরূপ, এটিই আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রথম ফ্রি ও প্রকাশমান জিনিস যা লোকেরা আপনার পেইজে ঢুকলেই দেখতে পাবে। আপনি বিনা পয়সায় ভিজিটরদেরকে আকৃষ্ট করতে এই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেন। তাই যতটা সম্ভব দায়িত্ব নিয়ে সৃজনশীল ও আকর্ষী কভার ফটো ব্যবহার করুন। খেয়াল রাখবেন প্রোফাইল পিকচারে যেন আপনার ব্যবসায়ের গল্পটি সহজভাবে ফুটে উঠে।

৩।সঠিক পণ্য বা সেবা নির্বাচন করুনঃ

ব্যবসা শুরু করার পূর্বে সবার প্রথমে আপনাকে দেখতে হবে অনলাইনে কি ধরনের পণ্যের চাহিদা ও বাজার রয়েছে। এবং সেগুলোতে প্রতিযোগিতা কেমন। সেই বিষয়ে সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম ধারনা আপনার রাখতেই হবে। এটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, কারণ বাজার পরিস্থিতি না বুঝে আন্দাজে ব্যবসায় ইনভেস্ট করে বসলে লাভের চেয়ে লস হাওয়ায় সম্ভাবনাই বেশি। আপনি যদি কোনো একটা কাজে একটু বেশি দক্ষ হয়ে থাকেন, তাহলে সেই কাজ দিয়েও সার্ভিস দিতে পারেন আপনার কাস্টমারদেরকে। কিন্তু অনলাইনে সেই পণ্য অথবা কাজের চাহিদা থাকলে তবেই আপনার সফল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।কোন প্রোডাক্ট নিয়ে ব্যবসা করবেন, সেটা নির্ধারণ করার পর কোন জিনিসের দাম কিরকম হবে সেটাও প্রতিযোগী পেইজগুলোর সাথে সামঞ্জস্য রেখে নির্ধারণ করুন।

৪। পণ্যের প্রচারে বেস্ট ছবিগুলো ব্যাবহার করুনঃ

অনলাইনে ক্রেতারা কোনো পণ্যই সরাসরি দেখে কিনে না, তারা ছবি দেখেই কিনেন। তাই আপনার পণ্যের ছবিটা খুবই ভালো রেজ্যুলেশন সম্পন্ন ও আকর্ষণীয় হতে হবে।তবে আমি আবার এটা বলতে চাইনি যে, আপনি এডিট করে করে পণ্যের আসল চেহারাই পাল্টে দিবেন! বলতে চেয়েছি ছবিগুলো যেন সুন্দর হয়। ছবির সাথে বাস্তবের সামঞ্জস্য রেখে, পর্যাপ্ত লাইটিংয়ে, সুন্দর ব্যাকগ্রাউন্ড এ মানসম্পন্ন ক্যামেরা দিয়ে ছবি তুলবেন। ছবি আকর্ষণীয় হবে এটা ঠিক, তবে অনেক বেশি পরিমানে অতিরঞ্জিত নয়। পণ্যের মানটা যেন ছবি দেখেই ধারণা করা যায়।

৫।প্রমোশন পোস্ট বা প্রমোশনাল কন্টেন্ট এর লেখার মান বজায় রাখুনঃ

ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য প্রতিটি পোস্টে আপনার পণ্যগুলির ভাল মানের বিবরণ দিন। প্রত্যেকটি পণ্যে আপনার প্রচেষ্টা,পরিশ্রম ও দায়বদ্ধতা দৃশ্যমান হওয়া উচিত।

লেখার ভঙ্গি যথাসম্ভব সহজ ও সাবলীল রাখুন।আর আপনার উচিত আপনার টার্গেট কাস্টমারদের সম্পর্কে লেখার চেষ্টা করা। আপনার পণ্যগুলি কেন অন্যদের থেকে সেরা তা বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করুন যাতে গ্রাহকরা এটি সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা পান আর সহজেই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন এটি কিনবেন কিনা।পোস্ট থেকেই মানুষ জানতে চান। সাধারণত অনেকেই ইনবক্সে এসে বিস্তারিত প্রশ্ন করতে চান না। তাদের কথা মাথায় রেখে পোস্টেই বিস্তারিত প্রকাশ করুন।

৬।ব্যাবসার পেইজে লাইভ করুনঃ

অনেক ক্রেতাই আছে যারা, কেবলমাত্র পণ্যের ছবি এবং বর্ণনার উপর বিশ্বাস রাখতে পারে না। পণ্য বাছাই করার সুবিধার জন্য তারা সরাসরি দেখা ও যোগাযোগ করতে পছন্দ করে। লাইভ স্ট্রিমিংয়ে আপনি সরাসরি ক্রেতার সাথে ইন্টারেক্ট করতে পারেন।

আপনার লাইভ প্রোগ্রাম ঘোষণা দেওয়ার সময় একটি স্মার্ট ও আকর্ষণীয় শিরোনাম চয়ন করুন।কারণ এর নোটিফিকেশন পৌঁছে যাবে আপনার ফলোয়ারদের কাছে, এবং এটি দেখেই তারা লাইভটি দেখতে বেশ আগ্রহী হবে। আর খেয়াল রাখবেন লাইভে অবশ্যই ভদ্র, শালীন পোশাক পরে আসবেন ও শুদ্ধ ও সাবলীলভাবে কথা বলবেন।কৃত্রিমতা পরিহার করুন।

৭।ক্রেতাদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সুসম্পর্ক তৈরী করুনঃ

আপনার অনলাইন ব্যবসার পেইজে যদি অনেক ফ্যান- ফলোয়ার থাকে, তাহলেই ভাববেন না যে খুব বিক্রি হবে। আপনাকে আপনার কাস্টমারদের সাথে খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করতে হবে। গ্রাহকদের সাথে যথেষ্ট বিনয়ের সাথে আচরণ করাটাই অনলাইন বিজনেসের একটি কৌশল।কেবলমাত্র”হায়!”, “হ্যালো স্যার”, “জ্বী স্যার”, “ওকে স্যার” এসব বা এগুলোর মতো কেবল কয়েকটি আনুষ্ঠানিক শব্দ দিয়েই কথাবার্তা শেষ করে দেওয়াটা ঠিক হবেনা। তাদেরকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়ার চেষ্টা করুন এবং তাদের কথাগুলো মনোযোগের সাথে শুনুন।তাদের সাথে দীর্ঘস্থায়ী একটি সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য খুব চেষ্টা করুন। এটি তাদেরকে পরবর্তীতে আপনার কাছ থেকে আরো জিনিস কেনার জন্য অনুপ্রাণিত করবে।গ্রাহকদের সাথে যোগাযোগ স্বয়ংক্রিয় ও আরো বেশি আধুনিকভাবে করতে চাইলে তৈরি করে নিতে পারেন একটি চ্যাটবট। চ্যাটবট মূলত আপনার শিখিয়ে দেয়া কাজগুলো পরবর্তীতে অটো পালন করবে।এতে আপনারও সময় বাচলো আর ক্রেতাও তথ্যটি সহজেই পেলো।

৮।গ্রাহকদের রিভিউগুলো গুরুত্বের সাথে নিন :

একজন ভালো মানের ব্যবসায়ী গ্রাহকদের কাছ থেকে আসা নেগেটিভ রিভিউ কিংবা নেতিবাচক প্রতিক্রিয়াকে উড়িয়ে না দিয়ে আমলে নেন। ব্যবসায়ের উন্নতির জন্য গ্রাহকের সমস্ত রিভিউ এবং পরামর্শ বিশ্লেষণ করা উচিত। আপনি যদি তাদের দেয়া পরামর্শকে সম্মান করেন তবে তারা মনে মনে সম্মানিত বোধ করবে এবং আপনাকে অনেকদিন মনে রাখবে।মনে রাখবেন, গ্রাহকরাই গ্রাহকদের নিয়ে আসে। তাই তারা কী পছন্দ করে বা অপছন্দ করে, আপনার কাছ থেকে আরো বেটার কি কি সার্ভিস পেতে চায়, কোন ধরনের পণ্য আপনার থেকে কিনতে পারলে তারা খুশি হতো, তা জানার চেষ্টা করুন। ব্যবসায়ের উন্নতির জন্য আপনার পরবর্তী পরিকল্পনায় এই তথ্যগুলির যথাযথ ব্যবহার করুন।

৯. ফেসবুকের ম্যাপ এ আপনার লোকেশনটা সংযুক্ত করুন:

ফেসবুক কোম্পানি একটি গুগল এপিআই ব্যবহার করে যাতে এটি ব্যাবহার করে আপনি যে জায়গাগুলিতে গিয়েছেন সেখানে নিজেকে চিহ্নিত করতে পারেন, নিজের অবস্থানটা জানতে পারেন। ফেসবুকের এই বৈশিষ্ট্যটি “চেক-ইন” নামে বেশি পরিচিত।

আপনি কখনো কখনো হয়ত এই অপশনটিকে ব্যাবহার করে থাকবেন। কিন্তু আপনার ব্যবসায়ে এটির ভূমিকা বা গুরুত্ব কি,তা সম্পর্কে জানেন না।

এই “চেক ইন” অপশনটি লোকাল ব্যবসার জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। যখনই কোনও গ্রাহক “চেক ইন” করেন, ফেসবুক তাকে স্থানীয় অনলাইন ব্যবসা কিংবা কোন ব্র্যান্ড এর বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে। তবে এই অপশনটি কেবল স্থানীয় ব্যবসায়ের জন্য উপযোগী। লোকাল কাস্টমার বা স্থানীয় গ্রাহকদের ধরে রাখার জন্য আপনি কিছু মূল্যছাড় বা কোনো আকর্ষণীয় অফার রাখতে পারেন।

কেন ফেসবুক পেজ রেস্ট্রিক্টেড হয়- How to solve facebook page ads restricted In Bangladesh

বর্তমান সময় এ ফেসবুক পেজ রেস্ট্রিক্টেড ও Facebook ID Restricted একটি কমন ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর মেইন যেই কারন ফেসবুক এর রুলস মতো বুস্ট না দেয়া, যেমন তেমন পেজ খুলে বুস্ট করে দেয়া, কপি ইমেজ ব্যাবহার করে বুস্ট দেয়া ETC. Recent ফেসবুকের এড বুস্ট দেয়ার ব্যাপারে রেস্ট্রিকশন এসেছে। এই হার আগের যে কোন সময়ের চেয়ে বেশি। শুধু পেজ এ নয়, ফেসবুক আইডি এবং এড অ্যাকাউন্ট এর উপর ভীষণভাবে চড়াও হয়েছে ফেসবুক। পলিসি যদি ঠিকমত মানা না হয় তাহলে ভেরিফিকেশন করছে, অ্যাকাউন্ট ফ্লাগ করে দিচ্ছে Facebook। অনেক সময় পেজ খুললেই post এর নিচে লেখাগুলো দেখা যায় “Boost Unavailable”. ক্লিক করলে মেসেস দেখা যাবে “Page Not Allowed to Advertise – you can’t create ads or promote your Page because it’s restricted from advertising”

আমাদের ব্যক্তিগত গবেষণা, আর দীর্ঘদিনের কাজের অভিজ্ঞতা এবং পর্যবেক্ষণ থেকে আমি বলতে পারি ফেসবুক এড পলেসি না মানা, umbrella করে বুস্ট করে দেয়া, একাধিক বার ফেক ডলার ব্যবহার করা, পেজ এ কোন সময় $ Due রেখে দেয়া, কুপন এর মিস ব্যাবহার করা এরকম অনেক গুলো কারন এর জন্য হয়ে থাকে। অনেকেই যারা এরকম কোন কিছু ব্যাবহার করে নি তাদের পেজেও বাধা আসে। এখন প্রশ্ন থেকেই যায় এখন এমন হচ্ছে কেন? এক কথায় বলতে গেলে আমারা ফেসবুকের এড পলিসি মেনে না চলার কারনেই আসলে এরকম হচ্ছে। আসুন জেনে নেই এরকম হওয়ার কারন।

১. বার বার এড রিজেক্ট হওয়াঃ একটা পেজ থেকে যদি বার বার এড রিজেক্ট হয় তা হলে ফেসবুক ওই পেজ কে এড রেস্ট্রিক্টেড করে দেয়। এটা আমার ব্যক্তিগত কাজের মাধ্যমে পেয়েছি । এড রিজেক্ট হলে সেটার কারণ ভালো করে দেখুন এবং সেই অনুযায়ী এড এডিট করে আবার বুস্ট চালু করেন। যদি বুস্টটি এডিট করা সম্ভব না হয় তাহলে ম্যানেজার এড থেকে আগের এডটি ডিলিট করে ফেলুন এবং একই ধরের বুস্ট পরবর্তীতে দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

২. পেমেন্ট ডিউ রাখাঃ অনেকেই পেজে বুস্ট দেওয়ার সময় পেমেন্ট ডিউ রাখে। এই ডিউ পেমেন্ট না করে পুনরায় অন্য এড অ্যাকাউন্ট থেকে ঐ পেজে আবার বুস্ট চালু করে এবং একই কাজ বার বার করে। এমতাবস্থায় ফেসবুক পেজ এর সিস্টেম টা বুঝতে পারে। বার বার পেমেন্ট ডিউ থাকলে ঐ পেজকে Advertising রেস্ট্রিক্টেড করে দিতে পারে।

৩. এড অ্যাকাউন্ট ফ্লাগ হওয়াঃ পেজের যদি add boost করতে গিয়ে যদি বাব বার এড অ্যাকাউন্ট ফ্লাগ হয় তাহলে ফেসবুক ঐ পেজ কে add Restricted করে দেয়।

৪. ফেক আইডির এডমিনঃ পেজের মধ্যে যদি একাধিক ফেক id এর admin থাকে এবং Verify করার সময় যদি সে গুলো ধরা পড়ে তখন ফেসবুক ঐ পেজ কে এড Restricted করে দেয়।

৫. কপিরাইটেট কন্টেন্ট ব্যবহারঃ আমরা অনেকেই জেনেই হোক অথবা না জেনেই হোক net থেকে image এবং video download করি এবং অনুমতি ছাড়াই সেগুলো অহরহ ব্যবহার করে থাকি । অন্যজনের copyright করা content অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা অন্যায়। সে গুলো content দিয়ে বুস্ট করা কোন মতে ঠিক না। এ ধরনের content ব্যবহার করার জন্য copyright হোল্ডার যদি ফেসবুকের কাছে report করে দেয় এবং তদন্ত করার পর যদি প্রমাণিত হয় তা হলে ফেসবুক পেজের ওপর Restrictions আরোপ করা হয় ।

৬. Unusual Activity: আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এর সঙ্গে যদি পেমেন্ট মেথড এর ঠিকানা ঠিক না থাকে, যদি অন্য দেশ হয়, কার্ড হোল্ডারের নাম এবং অ্যাকাউন্ট এর নাম যদি মিল না থাকে, তাহলে আপনার এড অ্যাকাউন্ট ফ্লাগ করে দিয়ে দেয়। আপনার বুস্ট থাকা ও পেজকে এড রেস্ট্রিক্টড করে দিতে পারে।
আশা করছি ফেসবুক কেন একটা পেজকে add Restricted করে দিচ্ছে তা বুঝতে পেরেছেন। এটার সমাধান পেতে Review এর জন্য আপিল করুন। এই সমস্যা থেকে বাচতে হলে ফেসবুকের add policy মেনে চলতে হবে। নিজেরাই content তৈরি করুন। পেজ Quality এবং add Quality দুটো ভিন্ন জিনিস। পেজ Quality ভাল থাকলেও শুধু ফেসবুকের add policy ভঙ্গ করার কারণেই আপনার পেজ টা add Restricted হতে পারে। তাই এখনই সাবধানে boost করুন।

৭. ফেক ডলার , Threshold বা কুপন এর ফেক ব্যাবহারঃ অনেকেই কম দামে বা ১০০ টাকা এর নীচে বুস্ট করে নেয়, যার ৯৯% এই ফেক ডলার বা Threshold বা কুপন ব্যাবহার করা হয়, এখন সমস্যা হোল এদের ৯৯% এই এগুলো মিস ব্যাবহার করে ফেসবুক কে ফাকি দিচ্ছে, যার ফলে ফেসবুক যখন বুঝতে পারে সেই সময় আপনার পেজ কে তারা add Restricted করে দেয়। তাই যখন এই কাউকে দিয়ে বুস্ট করবেন মাথায় রাখবেন তাদের অফিস আছে কি না, তারা কতো দিন ধরে কাজ করে, তাদের পেজ এর স্ট্যাটাস দেখুন, তাদের পেজ এর বয়স দেখুন নিচের স্কিন সর্ট এর মাধ্যমে। অবশ্যই মনে রাখবেন সব কিছু মিলে ১১০ টাকা থেকে ১২০ টাকা এর নীচে কেউ করলেই বুঝেবন Wrong Number.

৮. Umbrella করে বুস্টঃ এই আলোচনা কেউ করে নি Augest 2021 এর আগে। ফেসবুক এখন খুব করা চোখে দেখছে যে আগামী সময় গুলোতে এক টি অ্যাড একাউন্ট এ কক্ষনোই একটি পেজ এর বেশি অ্যাড রান করতে দিবে না। করলেই add Restricted বা ad account disable করে দেবে তারা। এই সমস্যায় আমরা নিজেরাও পড়েছিলাম।

৯. পেজ এর পলিসি জনিত সমস্যাঃ ফেসবুক এর অ্যাড পলেসি গুলো খুব ভাল করে দেখে নিন ( সরকার আইটি এর ব্লগ থেকে দেখে নিতে পারেন বাংলা ভার্সন) , কি পোস্ট দেয়া যাবে কি যাবে না এই বিষয় গুলো খুব ভাল করে জানতে হবে। তা না হলে পেজ এ অ্যাড রান করতে দেবে না বা অ্যাড একাউন্ট অফ করে দিবে তারা।

১০. বার বার অ্যাড একাউন্ট চেঞ্জ করে বুস্ট করাঃ অনেকেই আজকে এখানে তো কালকে সেখানে বুস্ট করে, এই সমস্যা অনেকের এর মধ্যে হয়ে থাকে, তারা মনে করে যে এখানে রেজাল্ট কম পাচ্ছি সেখানে হয় তো ভাল রেজাল্ট পাবো। এই ভুল এর কারনে Facebook মনে করে Unusual activity বা সে ডিউ রেখে দিচ্ছে বিভিন্ন অ্যাড একাউন্ট এ তাই ফেসবুক সেই Page রেস্ট্রিক্টেড করে দিচ্ছে।

১১. Facebook এর বাগ জনিত কারনঃ ফেসবুক সেটা নিজেও স্বীকার করেছে। Covid এর কারনে ফেসবুক এর ম্যাক্সিমাম ইন্টারনাল বিষয় গুলো তাদের সফটওয়্যার দেখা শুনা করে থাকে। তাই এই কারনে অনেক পেজ কোন সমস্যা না থাকার ফলেও পেজ রেস্ট্রিক্টেড হয়ে যাচ্ছে।

এখন দেখে নিন এই সমস্যা হলে করনিও কি?
১. আগে ফেসবুক পেজ এর সকল ইনফো চেক করুন যে ওকে আছে কি না।
২. আপনার পেজ এ এমন কিছু রাখবেন না যেগুলো ফেসবুক এ সমস্যা হয়।
৩. প্রথমেই আপনার আইডি কার্ড দিয়ে আপনার ফেসবুক আইডি ভেরিফাই করে ফেলুন।
৪. এর পরে ফেসবুক কে আপিল করুন রিভিউ দেয়ার জন্য।
৫. SARKAR IT এর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন আমরা এখন পর্যন্ত ৪০০+ পেজ এর বেশি ঠিক করে দিয়েছি।